1. Shokti24TV2020@gmail.com : Shokti 24 TV admin :
বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৩৩ পূর্বাহ্ন

নিজ মহিমায় উজ্জ্বল নক্ষত্র ডা. জুবাইদা রহমান।

আহমেদ সাদিক, চেয়ারম্যান, শক্তি ২৪ টিভি।
  • Update Time : রবিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২১
  • ৭৩৯ Time View
ডা. জোবাইদা রহমান

SHOKTI24TV

বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হলেও নিজ দেশে নিগৃহীত ডা. জুবাইদা রহমান মেধা, মনন ও কর্মদক্ষতায় বিশ্বব্যাপী সমাদৃত হয়েও নিজ দেশেই নিগৃহীত হলেন বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক ও বিএনপি সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান। ডা. জুবাইদা রহমান কেবল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ কিংবা নৌবাহিনীর সাবেক প্রধান শহীদ রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কন্যাই নন, এর বাইরেও তিনি আপন মহিমায় ভাস্বর, আপন বৈশিষ্ট্যে সমুজ্জ্বল। ডা. জুবাইদা রহমান নিজ মেধা ও কর্মদক্ষতার মাধ্যমে বিশ্বের ৫৫টি দেশের মধ্যে সেরা চিকিৎসকের স্বীকৃতি পেয়েছেন।

শিক্ষা জীবনে ডা. জুবাইদা রহমান কখনো দ্বিতীয় হন নি, না দেশে না বিদেশে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ইতিহাসে ডিস্টিংশনসহ সর্বোচ্চ মার্কস পেয়ে এমবিবিএস পাশ করেছিলেন তিনি। জুবাইদা ইমপেরিয়াল কলেজ অব লন্ডন থেকে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে মাস্টার্স অব কার্ডিওলজি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। চার বছরের মাস্টার্স অব কার্ডিওলজিতে (এমএসসি ইন কার্ডিওলজি) ডিস্টিংশনসহ শতকরা ৮৩ ভাগ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন জোবায়দা। যেখানে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইউই), কমনওয়েলথভুক্ত দেশ, নাইজেরিয়া, চীনসহ মোট ৫৫টি দেশের ছাত্র-ছাত্রীরা এই কোর্সে অংশ নিয়েছিলেন। এ কোর্সে প্রথম হয়েছিলেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি ব্যক্তি স্বার্থের বাইরে গিয়ে দেশ ও দেশের মানুষের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করেছেন।

দেশি- বিদেশী নানা লোভনীয় প্রস্তাব, স্কলারশিপ ও উজ্জ্বল ক্যারিয়ার এর হাতছানিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তিনি মানব সেবাকেই মহান ব্রত হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। ১৯৯৫ সালে বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে উন্নীত হয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সামান্য চাকরিই বেছে নেন তিনি। এখনো তার ধ্যান জ্ঞান আর স্বপ্ন কীভাবে দেশের চিকিৎসা সেবার উন্নয়ন হয়। তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন, ডা. জুবাইদা রহমান বাংলাদেশের চিকিৎসাশাস্ত্রে উন্নয়নের বিষয়ে উদগ্রিব। দেশে একটি আন্তর্জাতিক মানের একটি হৃদরোগ হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করার ইচ্ছা তার প্রবল।

তারা শক্তি ২৪ টিভি কে আরও জানান, বিশালাকার একটি হাসপাতাল গড়ার স্বপ্ন দেখেন জুবাইদা রহমান। চাকরিচ্যুতির ঘটনায় হতবাক হয়েছেন দেশে বিদেশে তার অগনতি শুভাকাঙ্খিরা। সংসদে কোনো সরকারী কর্মকর্তার চাকুরিচ্যূতির খবর ঘোষণা করার মত অভিনব ও হাস্যকর ঘটনা ইতোপূর্বে না ঘটলেও এমন হয়েছে ডা. জুবাইদা রহমানের ক্ষেত্রে। ক্ষমতাসীন ব্যক্তিবর্গের কাছে ক্ষুদ্র ক্ষমতার মানুষের অপরিসীম ক্ষতিও সামান্য মনে হয়। ডা. জুবাইদা রহমান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ। তিনি মরহুম রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের কন্যা।

ছোটবেলা থেকেই ডা. জুবাইদা রহমান ছিলেন বিজ্ঞান চর্চায় আগ্রহী। শৈশবে স্বপ্ন দেখতেন বিখ্যাত কার্ডিওলজিস্ট হয়ে দেশসেবা করবেন। চিকিৎসক হয়ে তিনি প্রতিনিয়ত দেশের প্রান্তিক মানুষের সেবা করে গেছেন। আজ প্রায় একযুগ দেশের বাইরে থেকে হয়তো প্রত্যক্ষভাবে দেশের মানুষের কাছে এসে চিকিৎসাসেবা দিতে পারছেন না। কিন্তু বিজ্ঞানের প্রচার ও প্রসারে যা যা করণীয় তা করার ক্ষেত্রে কোনো প্রচেষ্টাই বাকি রাখছেন না। দেশে বিজ্ঞানের প্রসারে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতিষ্ঠিত জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এই দম্পতি নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। আয়োজন করেছেন করোনাকালীন সময়ে ভার্চুয়াল বিজ্ঞানমেলার। তাই দুর্নীতিতে নয় বরং সহধর্মিণী হিসেবে তিনি তার মানবপ্রেমী স্বামী তারেক রহমানকে মানবতার সেবায় সহায়তা করেছেন।

শৈশবে জুবাইদা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত জাতীয় শিশু সংগঠনের সদস্য ছিলেন। এই সুবাদে অনেক অনুষ্ঠানেই তিনি পেয়েছেন শহীদ জিয়ার সান্নিধ্য। তার সেই দিনগুলো স্মৃতির মণিকোঠায় অম্লান, অক্ষয়।

শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত শহীদ জিয়ার নির্দেশনায় প্রবর্তিত ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন জুবাইদা। তার পছন্দের বিষয়গুলো ছিল পল্লীগীতি, দেশাত্মবোধক গান, নজরুল ও রবীন্দ্র সংগীত, গল্প বলা এবং দলীয় সংগীত।

মানবপ্রেম, মানবসেবা এসবই তার ধমনীতে বহমান। পৈতৃক অথবা বৈবাহিকসূত্রে উভয় দিকেই বইছে মানবতাধর্মী মানুষের উপস্থিতি। শ্বশুর, শাশুড়ি, স্বামী, বাবা, মা এবং বোন আইরিন খান- সব মিলিয়ে মানবসেবার বৃহৎ পারিবারিক ঐতিহ্য।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তারেক রহমান যে মানবসেবা করেছেন সেই কাজে তাকে বিভিন্ন সময়ই ডা. জুবাইদা সহায়তা করেছেন। তারেক রহমান কাজ করেছেন দেশের জন্য তার দলের মাধ্যমে। মানবসেবা করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে। বিজ্ঞানপ্রেমী চিকিৎসক জুবাইদা তাকে মানবসেবায় সহায়তা করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। নিজের সামান্য ক্ষমতায় প্রসার ঘটিয়েছেন বিজ্ঞান চর্চার।

করোনাকালীন সময়ে দেশের মানুষের প্রতি তারেক রহমান ও জুবাইদার ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে অতি তৎপরভাবে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে তিনি করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান ও সাধারণ মানুষের মাঝে করোনা সচেতনতা ছড়িয়ে দেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। WHO-এর নির্দেশনায় লিফলেট কীভাবে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রতিটি আঞ্চলিক ভাষায় পৌঁছে যাবে সেটি তারই পরিকল্পনা ছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021 Coder Boss
Design & Develop BY Coder Boss